By Ragib Nizam official | 0 comment

বাংলাদেশের অতিমানবেরা অমনিবাস ১ম খন্ড- মুহাম্মদ রাগিব নিযাম

 

বাংলাদেশের অতিমানবেরা

বইঃ বাংলাদেশের অতিমানবেরা অমনিবাস ১ম খন্ড

লেখকঃ মুহাম্মদ রাগিব নিযাম 

মূল্যঃ ৩০ টাকা

সারাংশঃ একের পর এক ন্যাশনাল সিকিউরিটি থ্রেট আসছে ডি জি এফ আই এর উপরে। সেটা রুখে দিতে তাদের উপর শাপে বর হয়ে আসলো কিছু মানুষ। তাদের অদ্ভুত অলৌকিক শক্তি দিয়ে ছায়া হয়ে দাঁড়ালো দেশের জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি রুখে দিতে পারবে অশুভ কালো চক্রকে? 

বইটি সম্বন্ধে আরো জানতে আমাদের হোয়াটস্যাপ এ যান। WhatsApp link- Click Here


বইটি কিনে পড়তে হলে এখানে ক্লিক করুন


বি:দ্র: আমাদের সাইটে কোনো ধরণের সাইন আপ লগিন নেই। একটি ই-বুক ক্রয়ে এক ডিভাইসে সর্বোচ্চ তিনটি আইপি এক্সেস দেয়া হবে।

Collapsible Section

বইয়ের সামান্য অংশ পড়তে "একটু পড়ুন" বাটনে ক্লিক করুন:

 অতন্দ্র প্রহরী

প্রারম্ভিকা:

 

অদ্ভুত কিছু ঘটতে চলেছে চারপাশে। অপরাধ কমে যাচ্ছে শহরজুড়ে। মানুষ রাত বিরেতে বের হতে ভয় পায় না। গুম বন্ধ হয়ে গেছে সেই কবে। শুধু বড় বড় ঘটনা ঘটলে পুলিশ মোতায়েন হয়।

 

সেই সময়টার কথা বলছি যখন পুলিশ কমিশনার মাথায় রাজ্যের বোঝা নিয়ে হাটছেন না। শুধু ভাবছেন কেইবা উনার টিমের সব দ্বায় দ্বায়িত্ব চুপিসারে রাতের আধারে সেরে দিচ্ছে। চোর-চাট্টা যতো আছে শহরে ভালো মানুষ সেজে বসে আছে। কি হচ্ছেটা কি এই শহরে?

 

যেখান থেকে জ্যামটা শুরু হয়, নবাবগঞ্জের ওদিককার; হুট করে এক পশলা বৃষ্টি ধুয়ে দেয় সমস্ত জড়তা। ছেলে বুড়ো স্বস্তি ফিরে পায় অদ্ভুত এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টির আগমনে। ঠিক সেই সময়টায় রাস্তার যে ধারে গাড়িগুলো সিগনাল পেয়ে জ্যাম ভেংগে ছুটতে শুরু করলো তার ঠিক উল্টো দিক থেকে ঘ ঘ করে মোটর সাইকেলটা ছুটে এলো। "এই শালা লাইনের বাইরে ক্যান" বলে ট্রাক-বাসের-প্রাইভেট গাড়ির ড্রাইভাররা তুমুল গালাগাল।

-এই থামেন! সার্জেন্ট মাথা গরম লোক। রাস্তার ওপাশ থেকে দৌড়ে এসে হাতের ইশারায় আরোহীকে থামালো।

 

"আ-আ-আমাকে মেরে ফেলবে। প্লীজ যেতে দিন।"

-আরে বলা নেই কওয়া নেই উল্টোপথে যেতে কেনো দিবো।

 

ঘ্যাচ!

 

বিমুঢ় হয়ে তাকিয়ে রয়েছে সার্জেন্ট! একটা তারা আকৃতির ছোরা আরোহীর ঘাড় কেটে ফেলেছে।

 

ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরুচ্ছে সেখান থেকে।

 

খুনের ধরনটা অদ্ভুত। শহরে এমন খুন নয়। বাংলাদেশে এর আগে এই স্টার ক্রসড খুন হয় নি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বিষয়টা চেপে গেছে কারণ মাসখানেকের ভেতর উত্তর ও দক্ষিণ- ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনাধীন নির্বাচন।

 

আর এই খুনটা তদন্তে নামলে যা হবে, কেঁচো খুড়তে সাপই বেরিয়ে আসবে। পুলিশ কমিশনার এই ব্যাপারে ২৪টা ঘন্টাই চিন্তায় মগ্ন। মানে শহরের ছোট খাটো ব্যাপারগুলো না ঘটলেও বড় সব ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে।

 

বুধবার রাত, এইসমস্ত বিষয় নিয়ে যখন ডিপার্টমেন্ট একসার... ঠিক তখনই... শহরের বিলবোর্ড, প্রত্যেক কম্পুট্যার/ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর স্ক্রীনে অপ্রত্যাশিতভাবেই একটা ভিডিও মেসেজ এলো-

 

"বছরের পর বছর দুর্নীতি, অরাজকতা, হানাহানি, অসামাজিকতা আর সহ্য করা যাবে না। এসব রুখে দিতে আসছে অতন্দ্র প্রহরী!!!"

 

এবং আকাশে ঝুউউপ করে বড় একটা বেগনি রং এর শিখা উঠে গেলো।

 

"বাজপাখির ছায়া" কমিশনার শিখার দিকে তাকিয়ে বললেন।

0 comment: